সর্বশেষ আপডেট ১৪ ঘন্টা ২১ মিনিট আগে
আপনি আছেন হোম / মতামত / কলাম / তুর্কি-সুদান সহযোগিতা ও ইরিত্রিয়ায় মিসরের সেনা প্রেরণ

তুর্কি-সুদান সহযোগিতা ও ইরিত্রিয়ায় মিসরের সেনা প্রেরণ

প্রকাশিত: ০৬ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:০৬ টা | আপডেট: ০৬ জানুয়ারি ২০১৮ ২২:১২ টা

মাসুমুর রহমান খলিলীঃ

২০১৮ সালের সুচনা লগ্নে মধ্যপ্রাচ্যের আফ্রিকান অংশে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ উন্নয়ন ঘটছে। সুদানের সুয়াকিন দ্বীপ পূনঃনির্মাণে তুরস্কের সাথে সুদানের সমঝোতা হবার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে সমন্বয় করে মিসর গত ৪ জানুয়ারি সেনা পাঠিয়েছে ইরিত্রিয়ায়। আল শার্ক পত্রিকা জানিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তি সম্মৃদ্ধ ভারী সাজোয়া যানসহ মিসরীয় সেনা বাহিনী সেখানে যাবার আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত মিসর এবং সুদানের দারফুর ও পূর্ব সুদানের বিদ্রোহিদের মধ্যে এক বৈঠক হয়।

তুরস্ক আফ্রিকার সাথে দেশটির বৃহত্তর সংশ্লিষ্টতার অংশ হিসাবে সুদানের সাথে ১৩টি চুক্তি ও সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর করে। এর অংশ হিসাবে সফরররত তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান ওসমানীয় খেলাফতের সময় ব্যবহ্নত সুদানের সুয়াকিন দ্বীপকে পুননির্মাণের প্রস্তাব দেন। সুদানের প্রেসিডেন্ট বশির এই প্রস্তাব গ্রহণ করেন। এক সময় সুয়াকিন ছিল সুদানের সবচেয়ে বড় বন্দর। কিন্তু বিংশ শতাব্দির শুরুতে এর ৬০ কিলোমিটার উত্তরে পোর্ট সুদান নির্মাণ করা হলে বন্দরটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে।

মিসর ও আমিরাতের পত্রিকাগুলো বলছে, সুয়াকিনে আসলে তুরস্ক দেশের বাইরে তার তৃতীয় ঘাঁটি নির্মাণ করতে চায়। তুরস্কের সেনা সূত্র অবশ্য সেটি অস্বীকার করেছে।

তবে তুরস্কের সাথে খার্তুমের এই সম্পর্ক উন্নয়নে সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে মিসর। এর অংশ হিসাবে ইরিত্রিয়ায় দেশটি এখন সেনা বাহিনী পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। অবশ্য গত বছর মে মাসে ইরিত্রিয়ায় ঘাঁটি করার পরিকল্পনার বিষয়টি অস্বীকার করে কায়রো। যদিও সুদানের সংবাদপত্রে বলা হয়, সোমালিয়া ও জিবুতির সাথে ২০ থেকে ৩০ হাজার সেনার একটি ঘাঁটি করার ব্যাপারে যোগাযোগ করেছে মিসর । এ ঘাঁটির পেছনে মিসরের দুটি বিষয় সম্পৃক্ত থাকতে পারে। এর একটি হলো এই অঞ্চলে তুরস্ক-কাতার-সুদান বলয়ের প্রভাব প্রতিহত করা । আর আরেকটি হলো নীল নদীতে ইথিওপিয়ার বাধ নির্মাণ যাতে মিসরের পানি প্রাপ্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে সেটি নিশ্চিত করা।

২০১৭ সালের পুরো সময় জুড়ে মিসর ইথিওপিয়ায় রেনেসাঁ বাধ নির্মাণের ব্যাপারে তার অবস্থানের পক্ষে আফ্রিকায় লবি করে। মিসরীয় বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই বাঁধ নির্মিত হলে দেশটি নীল নদীর যে ৫৫.৫ বিলিয়ন ঘন মিটার পানি পাচ্ছে তা বাধাগ্রস্ত হবে। ইথিওপিয়া অবশ্য বলছে এই প্রকল্পটি সুদান এবং মিসরে বিদ্যুৎ সরবরাহে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

২০১১ সালে ইথিওপিয়া-সুদান সীমান্তের ১৫ কিলোমিটার পূর্বে এই বাঁধটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। সেখানে বিদ্যৎ উৎপাদনের জন্য ৭৪ বিলিয়ন ঘন মিটার পানি সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রধানত ইসরাইলী বিনিয়োগে নির্মাণাধীন এই পানি বিদুৎ প্রকল্পটি হবে আফ্রিকায় এ ধরনের বৃহত্তম প্রকল্প। মিসর রেনেসাঁ বাধ প্রকল্পটির ব্যাপারে গুরুতর উদ্বেগের কারণে এই বাধের নকশা এবং তার নির্মাণ পরিদর্শনের সুযোগ প্রদানের অনুরোধ জানায় আদ্দিস আবাবাকে। তবে মিসর পানি বরাদ্দে তার ভেটো ক্ষমতা রহিত না করা পর্যন্ত ইথিওপিয়া এই অনুরোধ রাখতে অস্বীকার করেছে। মিসর, সুদান ও ইথিওপিয়ার মধ্যে নীলের পানি বণ্টন বিষয়ে মন্ত্রীরা ২০১২ সালের মার্চে একটি বৈঠকে বসে। এতে সুদানের প্রেসিডেন্ট বশির বলেন যে, তিনি বাঁধ নির্মাণকে সমর্থন করেন। অবশ্য ২০১০ সালে নীল অববাহিকার দেশ সমুহের মধ্যে নীল নদী নিয়ে সহযোগিতার যে কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তাতে মিশর বা সুদান এটি ১৯৫৯ সালের চুক্তি লঙ্ঘন বলে দাবি করে স্বাক্ষর করেনি। ১৯৫৯ সালের এই চুক্তিটি সুদান এবং মিসরকে নীলের পানির একচেটিয়া অধিকার দেয়। নীল বেসিন ইনিশিয়েটিভ এই নদীর অববাহিকার সব দেশের মধ্যে সংলাপের একটি কাঠামো প্রদান করে।

নীলের ভাটির দেশগুলিতে বাঁধের সুনির্দিষ্ট প্রভাব কেমন হবে সে সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যায় না। তবে বাঁধের কারণে নদীর তলদেশ ভরাট এবং বাষ্পীকরণ থেকে মিসরের পানির প্রাপ্যতা স্থায়ীভাবে হ্রাস পাবার আশঙ্কা রয়েছে। এ সংক্রান্ত এক গবেষণায় দেখা যায় যে, জলাধারের ভরাট পর্বের সময় এই প্রভাব বিশেষভাবে দেখা যেতে পারে। এই বাধের প্রাথমিক প্রভাব পড়তে পারে মিসরের আসওয়ান হাই ড্যামের জলাধারের উচ্চতার উপর।

এই গবেষণায় দেখা যায় যে, শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠ ও ক্রমাগত সমন্বয় মাধ্যমে এর নেতিবাচক প্রভাবগুলির ঝুঁকি কমিয়ে ফেলা বা দূর করা যেতে পারে। সুদানের-মিশরীয় সীমান্তে নীল নদীর বার্ষিক প্রবাহের (৪৯ বিলিয়ন ঘনমিটার) প্রায় দেড়গুণ হলো জলাধারের পরিমাণ (৭৪ বিলিয়ন ঘন মিটার)। সংশ্লিষ্ট দেশগুলি একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারলে প্রান্তের দেশগুলি থেকে এই ক্ষতি কয়েক বছরের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

এদিকে সুদানের সাথে তুরস্কের সম্পর্কের নতুন উন্নয়নের ব্যাপারে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট নানাভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। এরদোগানের সফরের কয়েকদিন আগে সুদান জাতিসংঘের কাছে সৌদি-মিসর নৌ সীমান্ত চুক্তির ব্যাপারে আপত্তি জানায়। যাতে কায়রো তিরান ও সানাফির দুটি নির্জন লোহিত সাগরের দ্বীপকে হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে। এই চুক্তিটিও সুদানের জন্য উৎকণ্ঠার। এতে সৌদি আরব হ্যালেইব ত্রিভুজ হিসাবে পরিচিত সুদান ও মিশরের মধ্যবর্তী বিতর্কিত সীমান্ত এলাকাকে মিসরের বলে স্বীকৃতি দিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়া হিসাবে সুদান ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটে তার ভূমিকা পূনর্নির্ধারণ করতে চাইছে। এখন সুদান সেখানকার বৃহত্তম সংখ্যক স্থলবাহিনী থেকে সৈন্য সরিয়ে আনছে বলে বেসরকারি রিপোর্ট পাওয়া গেছে।

সফরের কয়েকদিন আগে সুদান জাতিসংঘকে সৌদি-মিশরীয় নৌবাহিনীর সীমান্ত চুক্তির ব্যাপারে যে আপত্তি জানিয়েছিল সে ব্যাপারে এরদোগান এর সফর ছিল রিয়াদ এবং কায়রোর কাছে একটি বার্তা পাঠানোর সুযোগ। সফরকালে তুর্কি প্রেসিডেন্ট পূর্ব লোহিত সাগরে সাওয়াকিন দ্বীপকে উন্নয়ন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। অটোমান আমলে এটিকে কৌশলগত নৌ বন্দর হিসাবে ব্যবহার করতো তুরস্ক। অবশ্য তুরস্ক, কাতার ও সুদানের সামরিক প্রধানদের মধ্যে বৈঠকে সামরিক চুক্তিটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

সৌদি আরবে সুদানের পাঠানো বার্তাটি হারিয়ে যায়নি। সৌদি ওকাজ পত্রিকা বলেছে, তুরস্ক "আরব জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি হুমকি" হিসাবে দ্বীপটি পুনর্নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংবাদপত্রটি বলেছে, "আফ্রিকার দেশগুলোতে সামরিক সহায়তা দিয়ে এবং নিজের জন্য ঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে আফ্রিকা অঞ্চলে আঙ্কারা তার আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

বলা হয়, “কায়রো ও আঙ্কারার মধ্যে উত্তেজনাকর সম্পর্ক এবং হ্যালাইবে ও শালাতিন নিয়ে মিসর-সুদান বিরোধের প্রেক্ষিতে সুদানে তুর্কি সামরিক ঘাঁটি প্রতিষ্ঠা মিসরের জন্য একটি সুস্পষ্ট হুমকি।”

সুদান সফরের সময় এরদোগানের স্বাক্ষর করা চুক্তিগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় যে ১৩টি চুক্তি স্বাক্ষর হয় তার মধ্যে রয়েছে, রাজধানী খার্তুমে একটি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ, পোর্ট সুদানে একটি ফ্রি-ট্রেড জোন স্থাপন, লোহিত সাগরে সামরিক ও বেসামরিক জাহাজের জন্য একটি বন্দর এবং শিপইয়ার্ড নির্মাণ, বিভিন্ন স্থানে শস্য গুদাম নির্মাণ, একটি বিশ্ববিদ্যালয় , একটি হাসপাতাল এবং পাওয়ার স্টেশন প্রতিষ্ঠা। এই দু’দেশ তাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

আমিরাত-মিসর এরদোগানের মনে এই পরিকল্পনা রয়েছে বলে সন্দেহ পোষণ করে যে, যদি দ্বীপটি তুরস্কের কাছে হস্তান্তর করা হয়, তাহলে তুর্কি সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা (টিকা) এবং সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সেখানে ৩০০ রুম বিশিষ্ট কারওয়ানসেরাওসহ অটোমানদের স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণ করবে। টিকা সেখানে ২০১১ সাল থেকে কাজ করছে এবং ইতিমধ্যে হানাফি ও শাফেই মসজিদগুলো পুননির্মাণ করেছে। যখন সমগ্র পুনর্গঠন প্রকল্প সম্পন্ন হবে তখন উমরাহর জন্য মক্কা ভ্রমণকারী তুর্কি নাগরিকরা সুদান থেকে ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন করে জাহাজে করে অটোমান বেস এবং প্রাচীন উমরাহ রুট দিয়ে জেদ্দা যেতে পারবেন।

দ্বীপটি তুরস্কের সামরিক বাহিনীর ঘাঁটি হয়ে যাবে কিনা তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত আছে। তবে সামরিক ও বেসামরিক জাহাজের জন্য বন্দর প্রকল্প এবং সামরিক সহযোগিতা বিশেষভাবে মিসর ও সৌদি আরবের ভ্রু কুচকানোর জন্য যথেষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে। মিসর ভয় করে যে সুদান তুর্কি সমর্থনপুষ্ট হয়ে লোহিত সাগর উপকূলে বিতর্কিত হ্যালাইব ত্রিভুজের দাবিকে আরো তীব্র করতে পারে। ১৯৯০ সালে সুদানের আকাঙ্ক্ষাগুলিকে রোধ করার জন্য মিশর হ্যালিয়েবে সৈন্য পাঠিয়েছিলো। উপরন্তু, নীল নদীতে রেনেসাঁ বাঁধের ব্যাপারে ইথিওপিয়ার উদ্যোগে সুদান আপত্তি না জানানোতেও মিসর হতাশ হয়েছে। মিসরীয়রা মনে করে যে, সুদান তুর্কি সামরিক জোট হলে এই অঞ্চলের শক্তি ভারসাম্য বিপর্যস্ত হতে পারে।

মিসর সরকার রেনেসা বাঁধ ছাড়াও মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থনকারী তুরস্কের মত শক্তিশালী দেশটির প্রতিবেশী দেশে সরাসরি প্রবেশাধিকারের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন। মিসরের এই সুন্নী ইসলামী সংগঠনের নির্বাসিত নেতারা কায়রোর আগের প্রশাসন চালিয়েছিল। মিসরে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মুরসি সরকারের পতন ঘটানোর পর সুদানের সরকারের উপর সৌদি আরব নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে। এক পর্যায়ে জেনারেল বশিরকে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার ব্যাপারেও চাপ দেয়া হয়। এ সময় সুদানের সামনে রিয়াদের আকাঙ্ক্ষার বাইরে কাজ করার অবকাশ ছিল না। পরিবর্তিত মধ্যপ্রাচ্যে এখন সুদানের সামনে অন্য বিকল্প হাজির হয়েছে। তার অংশ হিসাবে সৃষ্টি হয়েছে তুরস্ক-কাতার-সুদান বলয়। সৌদি আরব সরাসরি মিসরের সিসি সরকারের খার্তুমের স্বার্থ বিরোধি কাজে সমর্থন যোগানোর কারণে সুদানকে ভিন্ন চিন্তা করতে হচ্ছে। এখানে সুদান কাতার ও তুরস্ক সমন্বয়ে জোট তৈরি হবার পর তার সাথে তিউনিশিয়া ইথিওপিয়ার মতো দেশের সমঝোতা হলে মধ্যপ্রাচ্যে এখন সৌদি-মিসর আমিরাত যে জোট রয়েছে তার সামনে চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে। আর তখন মধ্যপ্রাচ্যের সামনে একটি ফলপ্রসু বিকল্প ব্যবস্থাও হাজির হতে পারে। যার সাথে ইউরোপের উদার দেশগুলো এবং চীন রাশিয়ার সাথে বোঝাপড়া তৈরি হলে এই বলয়টি মধ্যপ্রচ্যে বড় ধরনের ভুমিকায় আবির্ভুত হতে পারে। এই ভয় ইরিত্রিয়ায় মিসরীয় সেনা পাঠানোর পেছনে একটি কারণ হয়ে থাকতে পারে।

পাঠক মন্তব্য () টি

নেপালে ক্ষমতা নিয়ে নতুন খেলা?

নির্বাচনে পরাজিত হবার পরও নেপালি কংগ্রেসের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা…

অসমের বাঙ্গালি বন্দি শিবিরগুলো এবং অসমের অর্থনীতি

আসাম পরিস্থিতি নিয়ে গবেষক আলতাফ পারভেজের পর্যালোচনার দ্বিতীয় পর্ব।

২০১৮ সাল: ইসলামিস্টদের সকাল আসন্ন!

ইসলামী আন্দোলন বা রাজনৈতিক ইসলাম শক্তিশালী খেলোয়াড় হিসাবে ফিরে আসছে।

কপিরাইট ২০১৪ onlineBangla.com.bd
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: গুলবুদ্দিন গালীব ইহসান
অনলাইন বাংলা, ৬৯/জি গ্রিন রোড, পান্থপথ (নীচ তলা), ঢাকা-১২০৫।
ফোন: ৯৬৪১১৯৫, মোবাইল: ০১৯১৩৭৮৯৮৯৯
ইমেইল: contact.onlinebangla@gmail.com
Developed By: Uranus BD