সর্বশেষ আপডেট ৭ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
আপনি আছেন হোম / মতামত / কলাম / সাদাত থেকে সালমান: ফিলিস্তিনের বিনিময়ে ইসরাইলকে পাওয়া

সাদাত থেকে সালমান: ফিলিস্তিনের বিনিময়ে ইসরাইলকে পাওয়া

প্রকাশিত: ২৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৬:৫৫ টা | আপডেট: ২৫ নভেম্বর ২০১৭ ১৮:২৩ টা

মারওয়ান বিশারাঃ

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইসরাইল ও সৌদি আরব নিয়ে নানা ধরনের জল্পনা ও গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এমন একটি দিন যায় না যেদিন তাদের সর্বশেষ মিলনস্থল, তাদের চেচামেচি ও তিক্ততা, তাদের প্রেম-প্রীতি এবং কল্পনা সম্পর্কে আমরা কিছু না কিছু আমরা শুনতে পাই না।

আমি নিশ্চিত নই যে, সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান প্রকৃতপক্ষে তেলআবিবে গোপন সফর করেছেন কিনা, কিন্তু গত কয়েক মাসে সৌদি আরব ও ইসরাইলের গোয়েন্দা প্রধানরা নিউইয়র্কের একটি সিনাগগে একই মঞ্চে অংশ নেয়।

মোসাদের পরিচালক এফ্রিয়াম হালেভি ইরানের সাথে পারমাণবিক চুক্তি বহাল রাখার কথা বললে সৌদি সাবেক গোয়েন্দা প্রধান প্রিন্স তুর্কি আল ফয়সাল একই মঞ্চে তার সাথে ভিন্নমত পোষণ করে চুক্তি রোধের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। যখন এক ইসরাইলী গোয়েন্দা প্রধান সৌদি প্রতিপক্ষের তুলনায় “সহযোগি মুসলিম জাতির” ব্যাপারে নমনীয় মনোভাব দেখায় তখন এটি নিশ্চিতভাবেই বিপজ্জনকভাবে সতর্ক হওয়ার সময়।
ইসরাইলের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিজিপী লিভনির সাথে গত জানুয়ারিতে ডেভিস-এ প্রিন্স তুর্কির “প্রীতিকর উৎসাহ” থেকে ইসরাইল ও সৌদি আরবের মধ্যকার এখনকার অনানুষ্ঠানিক এবং তাৎক্ষণিক বৈঠকগুলো অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ। বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতও তাদের সাথে যোগ দিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য হল ইসরাইলের সাথে ভবিষ্যতে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের ধারণাটি স্বাভাবিক করার জন্য জনগণকে `স্বাভাবিকীকরণ আতঙ্কের’ জন্য প্রস্তুত করা ।

প্রেম এবং ঘৃণা

ওয়াহাবি এবং জায়োনিস্ট নেতাদের মধ্যে পরষ্পরের মধ্যে আকর্ষণ হালাল বা অ-হালাল যে কোন কিছু হতে পারে, তবে এ প্রেম এখন বেশ শক্তিমান এবং অব্যাহতভাবে তা শক্তিশালী হচ্ছে। আর এতে নতুন কিছুও নেই।

তাদের সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার বিষয়টি প্রয়োজন থেকে উদ্ভুত এবং চালিত। প্রাথমিকভাবে, পারস্পরিক আকর্ষণের পরিবর্তে পারস্পরিক ঘৃণা থেকে এটি আসে। আর এটি হলো ইরানী শাসনের প্রতি ঘৃণা এবং এই অঞ্চলে তাদের প্রভাব বিস্তৃত হবার ভয়। এই অনুভূতি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে তাদের এই সম্পর্ক বাস্তববাদী প্রবাদ- আমার শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু- অনুসারে আগাচ্ছে।

প্রকৃতপক্ষে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত মে মাসে দুই দেশ সফর শেষে সৌদি আরবের সত্যিকার “ইসরাইলের প্রতি অনুরাগ” নিয়ে গভীরভাবে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারপর থেকে তিনি ইরানের “ফ্যানাটিক শাসন” এবং তার আঞ্চলিক আগ্রাসনের মোকাবেলা করতে ইসরাইল এবং সৌদি আরবের সঙ্গে একটি ত্রিপাক্ষিক ব্যবস্থার আয়োজন করছেন।

সৌদি আরবের সংবাদ সংস্থা এলাপের সাথে এক সাক্ষাত্কারে ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর প্রধান গাদি ইসিঙ্কোট ব্যাখ্যা করেছেন যে, ইরানের এই অঞ্চলে এক সমান্তরাল (শিয়া) প্রভাব বলয় সৃষ্টির চেষ্টা সৌদি আরব এবং ইসরাইল উভয়ের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তার মতে, ইরান উত্তরে, ইরাক, সিরিয়া এবং লেবানন হয়ে ভূমধ্য সাগরের মধ্য দিয়ে এবং দক্ষিণে,উপসাগরীয় অঞ্চল, ইয়েমেন এবং লোহিত সাগরের তীর পর্যন্ত এই প্রভাব বলয় বিস্তুত করতে চায়।

এতে করে উভয়ের মধ্যে যেন ‘সুবিধার বিয়েটি’ অনেক কম সময়েই সংঘটিত হচ্ছে।

লাভ এবং ক্ষতি

জনসমক্ষের বক্তব্য থেকে মনে হয়, ইসরাইল এখন ভয়ঙ্করভাবে অস্থির হয়ে ওঠেছে। তারা সৌদি আরবের সাথে সম্পর্ককে একটি সম্পূর্ণ নতুন স্তরে নিয়ে যেতে চায়; তারা “নিয়মিতভাবে এগুতে” চায় এবং তারা অচল বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে চায়। তারা গতদিনও এটি চেয়েছেন। আর তাদের মধ্যপন্থী সুন্নি আরব শাসনের সঙ্গে তেলআবিব সরকারের কৌশলগত সম্পর্কের প্রজন্মের পুরনো (ভিজা) স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত সত্য হতে চলেছে।

সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলির সাথে সম্পর্কের স্বাভাবিকীকরণে ইসরাইলের সবটাই লাভ এবং এতে তাদের হারানোর কিছুই নেই। ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তির পরে জর্দান ও কাতারসহ বিশ্বব্যাপী কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেশটির বিভিন্ন সময় সম্পর্কের ব্যাপক অবনতি দেখা দেয়ার পর ৫৫টি মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের অনেকের সাথে তার সম্পর্ককে নাটকীয়ভাবে উন্নত করতে পারে নতুন পরিস্থিতিতে। গাজায় ইসরাইলি হামলার পর ২০০৯ সালে দোহা উপসাগরীয় দেশটিতে ইসরাইলের বাণিজ্যিক অফিস বন্ধ করে দেয়।

সৌদি আরবের সাথে সম্পর্ককে স্বাভাবিক করা ইসরাইলের জন্য তাদের যৌথ কৌশলগত স্বার্থ এবং ভাগ করে নেওয়া লক্ষ্যসমূহ অর্জন ও তাদের ইউনিয়নকে শক্তিশালী করার জন্য যথেষ্ট হবে। ইসরাইলের জ্বালানি মন্ত্রী ইউভাল স্টিনিৎজের ইসরাইলের “গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি” সম্পর্কে সর্বশেষ উদ্ঘাটিত তথ্যে দেখানো হয়েছে, তেল আবিব নয় বরং রিয়াদ তার লজ্জাবোধের অনুভূতি থেকে সম্পর্কের গোপনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে।

সৌদি আরব যখন ২০০২ সালে আরব লীগের উদ্যোগে একটি শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছিল তখন এটি ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য উন্মুক্ত ছিল, কিন্তু ইসরাইলের ফিলিস্তিনি ও আরব অঞ্চল থেকে প্রত্যাহার এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরেই এটি সম্ভব ছিল।

রিয়াদের জন্য, তার ঐতিহাসিক শত্রুর সঙ্গে দ্রুত এবং অনিশ্চিত সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ নিঃসন্দেহে দেশটি এবং আঞ্চলিক স্থিতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ প্রস্তাব। এক ইসরাইল বিশেষজ্ঞের বক্তব্য অনুসারে সৌদি আরবের অধিকতর উৎসাহী প্রতিবেশী সংযুক্ত আরব আমিরাত এই উদ্যোগের একটি নীরব অংশীদার হিসাবে আগে থেকেই আবির্ভুত হয়েছে।

নতুন নেতৃত্ব, নতুন নীতি

ইসরাইলি সেনা প্রধানের সৌদি গণমাধ্যমের সাথে উপরিল্লিখিত সাক্ষাতকারকে সম্পূর্ণভাবে দেখা হলে মনে হবে এবার ফিলিস্তিনি সমস্যাকে আতঙ্কজনকভাবে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হচ্ছে। এটি পরিষ্কারভাবে কোন ভুল অথবা সাংবাদিকতার অনুধাবনের ঘাটতি নয়- এটা ইচ্ছাকৃতভাবে হচ্ছে। আর এটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিষয়। সৌদি (এবং ইউএই) নেতারা কি ফিলিস্তিনের দুর্দশাকে উপেক্ষা করে ইরানের ব্যাপারে ইসরাইলের উদার প্রস্তাব গ্রহণ করেছে? অথবা রিয়াদ কি এখনও আনুষ্ঠানিক স্বাভাবিকীকরণ শুরু আগে ইসরাইলের আরব উদ্যোগ গ্রহণের উপর জোর দেয়?

মনে হচ্ছে সৌদি আরব আর ইসরাইল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবের স্পষ্টীকরণ এবং প্রশ্নের উত্তরগুলির জন্য অপেক্ষা করছে। তিনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সেটিই ফিলিস্তিনি-ইসরাইল সংঘাতের সমাধান করার জন্য হবে “চূড়ান্ত চুক্তি”। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কি পূর্ব জেরুজালেম থেকে প্রত্যাহারের অনুরোধ জানাবে অথবা কি ফিলিস্তিনিদের রাষ্ট্র ও রাজধানীর অধিকার ছেড়ে দেওয়ার জন্য সৌদিদের উপর চাপ দিবে? অথবা, এটাকে ভবিষ্যতের জন্য রেখে দেবে? “চূড়ান্ত চুক্তি” কেন হবে চূড়ান্ত বিএস?

ট্রাম্পের বিস্ময়কর ইহুদি জামাতা জারদ কুশনারকে শত শত বছরের সংঘাত সমাধানে কাজ করার জন্যে উত্তম ব্যক্তি হিসাবে নিযুক্ত করা হয়েছে। ধর্মীয়ভাবে কট্টরপন্থী ইহুদি দুর্বল ব্যবসায়ী সঠিক সময়ে ট্রাম্পের মেয়েটিকে বিয়ে করেছেন। এফবিআই-এর প্রধান জেমস কমিকে বরখাস্তের জন্য তার ভূমিকার কথা হোয়াইট হাউজের বিশেষ পরামর্শদাতা রবার্ট মুলার প্রকাশ করার পর, রাশিয়ার তদন্ত সম্পন্ন হলে তার হোয়াইট হাউসের কর্মজীবন বেঁচে থাকবে কিনা তা অবশ্য স্পষ্ট নয়। মুলার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে কুশনারের গোপন নীতির সমন্বয় করে ফিলিস্তিনে ইসরাইলের অবৈধ বসতি নিয়ে জাতিসংঘের ভোটের সময় ওবামা প্রশাসনকে হেয় করার বিষয়ও দেখছেন।

আমার অনুমান, ট্রাম্প প্রশাসন একটি বিশ্বস্ত ও ব্যাপকভিত্তিক শান্তি কৌশল তৈরি করতে ব্যর্থ হবে এবং পূর্বসূরিদের মতো এটি “ইসরাইল সমস্যার” সমাধান করতেও ব্যর্থ হবে অথবা ফিলিস্তিনে উপনিবেশিকরণ থামাতে পারবে না। অনুরূপভাবে, ট্রাম্প প্রশাসনের কোন বাস্তব পদক্ষেপযোগ্য ইরান কৌশলও নেই এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন হটস্পটে ইরানের মোকাবিলা করার ইচ্ছা এবং আগ্রহেরও অভাব রয়েছে। ইরানকে দোষী সাব্যস্ত করার জন্য ইসরাইল অথবা সৌদি অংশগ্রহণের প্রয়োজন নেই। ট্রাম্প এ ব্যাপারে পুরোপুরি সক্ষম। সৌদি রাজারা যদি জেরুজালেমের “জায়োনিস্ট বর্বরদের” সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে তবে এরপর জানতে পারবে যে, তারা সমস্ত ফ্রন্টকে উন্মুক্ত করে দিয়েছে। তারা জানতে পারবে যে ইসরাইল তাদের জন্য অন্যদের বিরুদ্ধে লড়াই করবে না। দেরিতে হলেও তারা উপলব্ধি করবে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা ছাড়া সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ ইরানকে কোণঠাসা করার পরিবর্তে আরো শক্তিশালী করবে এবং এই অঞ্চলে তাদের ভূমিকা আরো বাড়বে।

দুই পবিত্র মসজিদের কাস্টডিয়ান সালমানের “জায়োনিস্টদের” কাছে পবিত্র আল আকসাকে সমর্পণ অথবা ইসরাইলি পতাকা রিয়াদে উত্থাপন করার আগে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতের ইসরাইলের সঙ্গে স্বাভাবিকীকরণের পরিণতি সম্পর্কে বিবেচনা করা উচিৎ হবে। মনে রাখতে হবে যে, সৌদি আরবের মিশরের মতো ইসরাইলি দখলদারিত্ব থেকে তার অঞ্চলগুলি মুক্ত করার কোন বিষয় নেই এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোন সাহায্যও দেশটি চায় না।

ফিলিস্তিনের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা

বিশ্বাসঘাতকতার পাঠগুলি স্পষ্ট নাও হতে পারে। আরব স্বৈরশাসক যারা শাসন ও যুদ্ধে ব্যর্থ হয়েছেন তারা শান্তি ও স্বাভাবিকীকরণেও ব্যর্থ হবে। শক্তির মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার ঠিক বিপরীত হয় দুর্বলতার মধ্য দিয়ে স্বাভাবিকীকরণের প্রভাব। এটি বিশ্বাসঘাতকতার ধারণাকে চাঙ্গা করবে: এটি হবে সাধারণ আরব স্বার্থের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা, সেইসাথে ফিলিস্তিনের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা।

আরব বিশ্বের জনগণের জন্য, ফিলিস্তিন দীর্ঘকাল ধরে একটি ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে কারণ এটি ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য একটি মানচিত্র বা স্বদেশের চেয়েও বেশি কিছু। ফিলিস্তিন আরব বিবেকের পরীক্ষা, স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক, কেবল সামরিক দখলদারিত্ব থেকে নয়, বরং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক নিপীড়ন থেকেও মুক্তির সংগ্রাম।

এই সপ্তাহে কায়রোতে আরব ঐক্য ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য যারা অশ্রুপাত করেছে তারা খুব গোপনভাবে ইসরাইলের সাথেই সহযোগিতা করছে। তাদের অযোগ্যতাটি ইসরাইল, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই অঞ্চলে অ্যামোক চালানোর পথ করে দিয়েছে।

আঞ্চলিক উন্মত্ততা অবশেষে যখন শেষ হবে, যখন হেলোসিনেশন চাপা পড়বে তখন ফিলিস্তিনকে জলাঞ্জলি দিয়ে যারা ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করছে তাদের কঠোর বিচার করবে ইতিহাস।

আল জাজিরা থেকে অনুবাদ মাসুমুর রহমান খলিলী

পাঠক মন্তব্য () টি

জেরুসালেমের জন্য তৃতীয় ইনতিফাদা

ট্রাম্পের নিজের ক্ষমতা সংহত করা ছাড়া এর পেছনে আর অন্য কোনো উদ্দেশ্য…

জেরুসালেমের পর কি মক্কা?

ট্রাম্পের ঘোষণা হবে পূর্ববর্তী আন্তর্জাতিক চুক্তির পাশাপাশি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সংবেদনশীলতার একটি…

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কতদূর?

চীনকে রোহিঙ্গাদের কার্যকর পুনর্বাসনের ব্যবস্থার কথা ভাবতে হবে।

কপিরাইট ২০১৪ onlineBangla.com.bd
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: গুলবুদ্দিন গালীব ইহসান
অনলাইন বাংলা, ৬৯/জি গ্রিন রোড, পান্থপথ (নীচ তলা), ঢাকা-১২০৫।
ফোন: ৯৬৪১১৯৫, মোবাইল: ০১৯১৩৭৮৯৮৯৯
ইমেইল: contact.onlinebangla@gmail.com
Developed By: Uranus BD