সর্বশেষ আপডেট ১১ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
আপনি আছেন হোম / বিদেশ / দক্ষিণ এশিয়া / রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চির 'কড়া ৪ শর্ত'

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে সু চির 'কড়া ৪ শর্ত'

প্রকাশিত: ১১ নভেম্বর ২০১৭ ১১:৫৭ টা

বিদেশ ডেস্ক, অনলাইন বাংলাঃ

গণহত্যা ও জাতিগত নিধন থেকে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে 'চারটি কড়া শর্তের' দিয়েছেন মিয়ানমার।

শনিবার মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পার্মানেন্ট সেক্রেটারি ইউ কিইয়াও জেয়ার বরাত দিয়ে ভারতের জনপ্রিয় বাংলা দৈনিক আনন্দবাজর পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, নীতিগতভাবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরিয়ে নিতে আপত্তি নেই মিয়ানমারের। তবে কাদের ফেরানো হবে, সে বিষয়ে তারা কড়া শর্ত চাপাচ্ছে।

শুক্রবার ইয়াঙ্গুনে 'ভারত-মায়ানমার সম্পর্কের আগামী দিন' শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কূটনীতিক কিইয়াও জেয়া এ শর্তের সেটে দেন।

তিনি বলেন, দেশের স্টেট কাউন্সিলার অং সান সু চি গত ১২ অক্টোবর এ নিয়ে দেশের নীতিগত অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। পুনর্বাসন এবং উন্নয়নের কাজও শুরু হচ্ছে। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে আনার কাজ হবে চারটি শর্ত সাপেক্ষে। যারা সেই শর্ত পূরণ করতে পারবেন, শুধু তাদেরই ফিরিয়ে নেয়া হবে।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ এই কূটনীতিক বলেন, যেসব রোহিঙ্গা এ দেশে দীর্ঘদিন বসবাসের প্রমাণপত্র দাখিল করতে পারবেন, স্বেচ্ছায় রাখাইনে ফিরতে চাইবেন, পরিবারের কেউ এদিকে রয়েছেন তেমন প্রমাণ দেখাতে পারবেন এবং বাংলাদেশে কোনো বাচ্চা জন্মালে তার বাবা-মা উভয়েই মিয়ানমারের স্থায়ী বাসিন্দা প্রমাণিত হলে তবেই তাদের ফিরিয়ে নেয়া হবে।

বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ার পর প্রাণ বাঁচাতে যারা দেশ ছেড়েছেন, তাদের কাছে কী করে এই সব তথ্য-প্রমাণ থাকবে?

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পার্মানেন্ট সেক্রেটারি বলেন, স্কুলে পড়া, হাসপাতালে চিকিৎসা, চাকরির নথি- এ সবের মতো কিছু প্রমাণ তো দেখাতেই হবে। না হলে ফেরত নেয়াটা মুশকিল। এবং এই প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষও!

কলকাতার ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল স্টাডিজ, ইয়াঙ্গুনের ভারতীয় দূতাবাস এবং মায়ানমার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের থিঙ্ক ট্যাঙ্কের বিশেষজ্ঞরাও যোগ দিয়েছেন শুক্রবারের ওই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে।

শরণার্থী সমস্যার মতো মানবিক বিষয়ে মিয়ানমার সরকার কেন এত কড়া শর্ত চাপাচ্ছে? এ নিয়ে ওই কূটনীতিকের ব্যাখ্যা, রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা সমস্যা কেবলমাত্র মানবিক বিষয় নয়। নিরাপত্তাও একটা বড় কারণ।

মানবিকতার খাতিরে ক্ষমতায় এসেই সু চি কফি আন্নান কমিশন তৈরি করেছেন। রাখাইনে পুর্নবাসন-উন্নয়নের কাজ হাতে নিয়েছেন। এ সবও তো সরকারই করেছে।

বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর দমন অভিযান শুরুর পর গত ২৫ অগাস্ট থেকে সোয়া ছয় লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের গ্রামে গ্রামে ওই সহিংসতাকে 'জাতিগত নির্মূল অভিযান' হিসেবে চিহ্নিত করে এর সমালোচনা করে আসছে জাতিসঙ্ঘ।

পাঠক মন্তব্য () টি

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে সোনিয়া গান্ধী

হিমাচল প্রদেশের শিমলায় অবকাশযাপনের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের…

ভারতের লক্ষ্য রোহিঙ্গাদের নিরাপদে দেশে ফেরানো: ভারত

বৃহস্পতিবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে 'কানেক্টিং দ্য বে অব বেঙ্গল ইন্ডিয়া, জাপান অ্যান্ড…

টিপু সুলতানের প্রশংসা, বিজেপির তোপের মুখে ভারতের রাষ্ট্রপতি

ব্রিটিশ ভারতের মহীশূর রাজ্যের শাসনকর্তা টিপু সুলতানকে নিয়ে চলতে থাকা বিতর্কে এবার…

কপিরাইট ২০১৪ onlineBangla.com.bd
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: গুলবুদ্দিন গালীব ইহসান
অনলাইন বাংলা, ৬৯/জি গ্রিন রোড, পান্থপথ (নীচ তলা), ঢাকা-১২০৫।
ফোন: ৯৬৪১১৯৫, মোবাইল: ০১৯১৩৭৮৯৮৯৯
ইমেইল: contact.onlinebangla@gmail.com
Developed By: Uranus BD