সর্বশেষ আপডেট ১৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
আপনি আছেন হোম / মতামত / ব্লগ / বিনিয়োগের ধারণায় চীনের নতুন চমক

বিনিয়োগের ধারণায় চীনের নতুন চমক

প্রকাশিত: ০৯ অক্টোবর ২০১৭ ২২:২৯ টা | আপডেট: ০৯ অক্টোবর ২০১৭ ২২:৪১ টা

আলতাফ পারভেজঃ

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় আর কোন দেশে এমন দৃষ্টান্ত আছে কি না জানি না। নেপালে ‘বোধিছায়া’ নামে একটি নাটকের মঞ্চায়ন শুরু হয়েছে- যা এক নাগাড়ে কোন বিরতি ছাড়াই পাঁচ বছর চলবে। কোন ফেস্টিভালের দিনেও এর মঞ্চায়ন বন্ধ হবে না।

সর্বমোট ১৮২৬ দিন (৫x৩৬৫+ লিপিয়ার ১ দিন) চলবে এই মঞ্চায়ন- যা ইতোমধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে গেছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ছয়টায় শো হচ্ছে কাঠমান্ডুর নাচঘরে। যদি সব পরিকল্পনা মতো এগোয়- অন্তত নেপালে এক নাটকের এত দীর্ঘসময়ের মঞ্চায়ন একটা রেকর্ড হবে।

‘বোধিছায়া’র কাহিনী আবর্তিত গৌতম বুদ্ধের জীবনকে ঘিরে। নৃত্য ও মূকাভিনয়ের ব্যবহার হয়েছে ব্যাপকভাবে। পুরো নাটকটিতে নেপালের সকল জাতিসত্তার সম্পৃক্তি ঘটাতে ১৭ ধরনের স্থানীয় নাচের ফর্ম যুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া এই প্লে’টির একটা বড় বৈশিষ্ট্য হিসেবে থাকছে উচ্চপ্রযুক্তির সুরযন্ত্র, আলোক সম্পাত ও শেডে’র ব্যবহার। শ্রোতারা সংলাপের ইংরেজি তর্জমাও সঙ্গে সঙ্গে শুনতে পাবেন।

কবিতা শ্রী নিবাসন এর নির্দেশনা দিয়েছেন। যেহেতু এক নাগাড়ে মঞ্চায়ন- সে কারণে কুশীলব থাকছে দুই দল- প্রতি দলে ৪০ জন করে সদস্য এবং সকলের জন্য ইতোমধ্যে স্থায়ী বেতন-ভাতা’র ব্যবস্থাও হয়ে গেছে!!

বলাবাহুল্য, এটি একটি ব্যয়বহুল প্রডাকশন।

দক্ষিণ এশিয়ায় থিয়েটার মাত্রই আর্থিক টানাপোড়েনের কাহিনী সকলেরই জানা। নেপালও তার ব্যতিক্রম নয়। স্বভাবত প্রশ্ন উঠেছে, ‘বোধিছায়া’ প্রডাকশনের অর্থায়ন কীভাবে হচ্ছে। বস্তুত এখানেই রয়েছে এক বড় চমক।

চীনের একজন টুরিজম ব্যবসায়ী এই প্লে’র সব খরচ যোগান দিচ্ছেন। এই নাটকের অন্যতম মূল লক্ষ্য তাই বিদেশী দর্শক। সে কারণেই হয়তো নেপালীদের জন্য নাটকের টিকিটের দাম যেখানে এক হাজার রুপি- বিদেশীদের জন্য সেখানে রাখা হয়েছে সাড়ে তিন হাজার রুপি।

তবে এসব কিছু ছাপিয়ে গিয়েছে `বোধিছায়া’র পাঁচ বছর শো-এর পরিকল্পনা এবং তাতে চীনের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ। গণচীনের পুঁজিতন্ত্র দক্ষিণ এশিয়ায় বিনিয়োগের ধারণায় কৌতূহল উদ্দীপক এক বৈচিত্র্য আনলো এই উদ্যোগের মধ্যদিয়ে।

ধারণা করা হচ্ছে, আগামী পাঁচ বছর যত টুরিস্ট নেপাল যাবেন তাদের অনেকেই শো’টা দেখে আসবেন।

পাঠক মন্তব্য () টি

কেন হানাফী মাজহাবের অনুসারী হলাম

চার ইমামের কারো যোগ্যতা কি ইমাম আলবানীর চেয়ে কম ছিল?

রোহিঙ্গাদের জাতিগত নির্মূলে সহযোগী সেই রেনেটা

খুনীদের পৃষ্ঠপোষক কিভাবে জাতিসংঘের মত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে!

কারা ফটকের সামনে একটি ঈদ

সেদিনের ঈদটা এভাবে শুরু হয়নি। কারণ আম্মু ছিল কারাগারের মেহমান।

কপিরাইট ২০১৪ onlineBangla.com.bd
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: গুলবুদ্দিন গালীব ইহসান
অনলাইন বাংলা, ৬৯/জি গ্রিন রোড, পান্থপথ (নীচ তলা), ঢাকা-১২০৫।
ফোন: ৯৬৪১১৯৫, মোবাইল: ০১৯১৩৭৮৯৮৯৯
ইমেইল: contact.onlinebangla@gmail.com
Developed By: Uranus BD