সর্বশেষ আপডেট ২৯ দিন ২ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
আপনি আছেন হোম / মতামত / কলাম / আমার দেখা মওলানা ভাসানী

আমার দেখা মওলানা ভাসানী

প্রকাশিত: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ ১৫:১০ টা

আফরোজা অদিতিঃ

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সঙ্গে আমার বাবার পরিচয় গত শতাব্দির পঞ্চাশের দশকে। আমার বাবা তখন কলেজে পড়তেন। ১৯৫১ সালে মওলানা ভাসানী যখন পাবনা টাউন হলে বক্তৃতা করতে এসেছিলেন সেই বক্তৃতা শুনেই আমার বাবা তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে অনুসারী হন তার এবং মৃত্যু পর্যন্ত তার অনুসারীই ছিলেন। সেই সময় থেকেই তিনি আমাদের বাড়িতে আসতেন।

মায়ের কাছে শুনেছি ন্যাশনাল আওয়ামী পাটি, কৃষক সমিতির যে কোন বিষয় আলোচনার প্রয়োজন হলে বাবাকে ডেকে নিতেন না হয় আমাদের গ্রামে চলে আসতেন। কিছুদিন থাকতেন। তখন গ্রামে বিদ্যুৎ না থাকায় লাইট বা ফ্যান কিছু ছিল না। হাত পাখা সম্বল ছিল গরমের দিনে। আর রাতের বেলা হ্যারিকেন। এমনি একদিন বাড়ির সামনে জাম্বুরা গাছের তলে বাবার সঙ্গে ন্যাপের কোন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন  মওলানা ভাসানী। গরমে ঘামছিলেন। তখন আমার মা আমার এক চাচাকে তালের পাখা দিয়ে ভাসানীকে বাতাস করতে বলেন। চাচার ঘুম আসাতে তার হাতের পাখা গিয়ে মজলুম জননেতা ভাসানীর মাথায় লেগেছিল। উত্তরবঙ্গের বিশেষায়িত নারকেলের টুপি, তিনি যেটা সবসময় মাথায় দিতেন সেটা তার  মাথা থেকে খুলে দূরে পড়ে গিয়েছিল। ভাসানী অবশ্য কিছু বলেননি। শুধু বলেছিলেন বাতাস করতে হবে না। তিনি খুব অমায়িক শ্রদ্ধাশীল ভালো মানুষ ছিলেন।  

আমার বাবা, মওলানা ভাসানীর সব কাজের সহযোগী ছিলেন। শুধু ঐ একটা মিটিং-ই না অনেক মিটিংই আমাদের বাড়িতে হয়েছে। খুব পছন্দ করতেন, স্নেহ করতেন বাবাকে। উনি গ্রামে আসতে না পারলে আমার বাবাকে ডেকে পাঠাতেন। আমার বাবাও চলে যেতেন। কাগমারী, মহীপুর, সন্তোষসহ যেখানেই মিটিং বা সম্মেলন হতো বাবা তার কৃষক কর্মীদের নিয়ে চলে যেতেন। এসব আমার কিছু ঘটনা দেখা, কিছু শোনা।

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে স্মরণ থাকার মতো দেখা হয় আমার ১৯৬৯ সালে। আমাদের গ্রাম, শাহপুরে বিরাট বিশাল সম্মেলন হয়েছিল। যে সম্মেলনে ‘লালটুপি’ সম্মেলন নামে খ্যাত। কৃষক শ্রমিকসহ নানা পেশার মানুষ সেই সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন। কবি সাহিত্যিক নাট্যকাররাও যোগ দিয়েছিলেন। আমাদের বাড়িতে মওলানা সাহেবের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তাকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করার ভার ছিল আমার ওপর। দিব্যকান্তি পুরুষ ছিলেন। আমার মা সম্মেলনের অন্যান্য কাজের সঙ্গে তার জন্য রান্না করেছিলেন। আমার মা ভালো রাঁধতেন আর মওলানা সাহেব ছিলেন ভোজনবিলাসী। খেতেন কম কিন্তু উপাচার থাকতো বেশি।

তিনি জোড়আসান করে খেতে বসেছিলেন। টুকটাক অনেক কথা বলেছিলেন। কী পড়ি। পড়া ছাড়া আর কী করি। মানে ছবি আঁকি কিংবা গান করি কিনা। কবিতা আবৃত্তি বা নাটক করি কিনা। রাজনীতি পছন্দ করি কি না। আমি অবশ্য তখন রাজনীতি করবো ভেবেছিলাম। কিন্তু বোধের অগম্য ছিল। আমার বাবা ছোটদের রাজনীতি পড়তে দিয়েছিলেন তখন আমি ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ি। আমার একপপাতা পড়ার পরে আর পড়তে ভালো লাগেনি। তবে রাজনীতির স্লোগান, বক্তৃতা তখন শুনেছি ভালো লেগেছে, রক্তে উন্মাদনা জেগেছে। অসহায় মানুষের জন্য কিছু করতে ইচ্ছা হয়েছে। কিন্তু দিন চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজনীতি করার ইচ্ছা আমার চলে গিয়েছিল। আবদুল মতিন (ভাষা মতিন) চাচা বলেছিলেন, আমি বুর্জোয়া হয়ে যাচ্ছি ক্রমশ। তখন যে বাড়িতে থেকে পড়তাম ঐ বাড়িটা বুর্জোয়া বাড়ি ছিল। জানি না আমি বুর্জোয়া মনোভাবাপন্ন কি না তবে রাজনীতি আমার আর ভালো লাগেনি। যে রাজনীতি মানুষের ভালো করে না তার প্রতি আমার আগ্রহের কিছুটা চলে গিয়েছিল একাত্তরের আগে, পুরোটা গিয়েছে একাত্তরের পরে।  

মওলানা সাহেব পছন্দের মানুষ ছিলেন। আমাদের গ্রামের মানুষগুলোও মওলানা সাহেবকে পছন্দ করেছিলেন। মিটিং শুরুর আগে ফজরের নামাজের পরপর বাড়ির বাইরের ঘরের সামনে লাইন করে দাঁড়িয়েছিল পুরুষ নারী অনেকেই। পানি পড়া, তেল পড়া নেওয়ার জন্য। তিনি ঘরের  দরোজার সামনে চেয়ারে বসে পানি, তেলে ফুঁ দিয়ে দিচ্ছিলেন। তিনি বলতেন পানি পড়া তেল পড়াতে রোগ ভালো হয় কিনা তার জানা নেই তবে মানুষের মনের বিশ্বাসে রোগ অনেকটা সেরে যায়। অনেক কিছু পাওয়াও যায়। লুঙ্গী পাঞ্জাবী নারকেলের টুপি মাথায় মানুষটিকে দেখলেই সুফি দরবেশের ছবি ভেসে উঠেছে চোখে। এখনও ভেসে ওঠে। মওলানা ভাসানী গোঁড়া ধর্মান্ধ ছিলেন না। আমার দাদা ছিলেন গোঁড়া ধর্মীয় ইমাম এবং স্কুল শিক্ষক। গ্রামের অনেকেই তার কাছ থেকে পানি, তেল পড়া নিয়ে যেত। তিনি মুরগি নিজ হাতে জবাই না করলে খেতেন না। মুরগি জবাই করতেন, ছিলতেন, মুরগি কেটে গলার ভেতরের সাদা রগ বের করে তবে রান্না করতে দিতেন। আমার দাদা এমন গোঁড়া ছিলেন যে বাবা রাজনীতি করতেন বলে বাবার সঙ্গে পৃথক থাকতেন। আমার মায়ের হাতের রান্না খেতেন না। বাবা-মায়ের সঙ্গে কথাও বলতেন না।

ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের পরপরই শাহপুরের কৃষক সম্মেলনের ডাক দিয়েছিলেন শ্রদ্ধেয় নেতা। প্রত্যেক জেলা থেকে হাজার হাজার কৃষক লালটুপি মাথায়, বাঁশের লাঠি হাতে পায়ে হেঁটে কেউ কেউ কেউ বা ট্রেনে চেপে সম্মেলন স'লে হাজির হয়েছিলেন। আমার বাবা ছিলেন আহ্বায়ক। তখন দেশে সামরিক আইন চলছিল।  খোলা স্থানে মিটিং মিছিল নিষিদ্ধ ছিল সেজন্য সম্মেলনের জায়গা পাটখড়ি দিয়ে ঘেরা হয়েছিল। বারবার মওলানা সাহেবকে সম্মেলন বন্ধ করতে বলা হয়েছিল এবং আমার বাবাকেও ডেকে নিয়ে নানারকম ভয় দেখানো হয়েছিল। কিন্তু ভাসানী সম্মেলন বন্ধ করেননি। সম্মেলনের সময় তিনবার হেলিকপ্টার উড়িয়েছিল সরকার কিন্তু তিনদিন ব্যাপী সম্মেলন পণ্ড করতে পারেনি। ঐ সম্মেলন থেকেই আওয়াজ উঠেছিল স্বাধীনতার। স্লোগান  ছিল ‘কৃষক শ্রমিক অস্ত্র ধর, পূর্ববাংলা স্বাধীন কর’, ‘ভোটের আগে আগে ভাত চাই’, ‘ভোটের বাক্সে লাথি মারো, পূর্ববাংলা স্বাধীন করো’, ‘সামরিক আইন মানি না, মানি না, মানবো না’ এরকম অনেক স্লোগান দিয়েছিল কৃষক- শ্রমিক - জনতা। অবিচল থেকেছেন, অবিরত বক্তৃতা দিয়েছেন, মিটিং চালিয়ে গেছেন।

মওলানা আবদুল হামিদ খান-এর সঙ্গে আবার দেখা হয় ১৯৭৫ সালে। শেখ মুজিব তখনও বেঁচে ছিলেন। ১ মার্চ, ১৯৭৫ আমার বাবা মুজিব সরকারের হাতে গ্রেপ্তার হন। বাবা গ্রেপ্তার হওয়ার  কিছুদিন আগেই সিরাজ শিকদার ক্রসফায়ারে মারা যায়। খুবই দুশ্চিন্তাগ্রস্ত ছিলাম। আমার বাবা ১৯৭১ এ পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছিলেন কিন্তু পার্টি তার নাম ব্যবহার করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল তখনও। বাবার গ্রেপ্তারের পরে তার জন্য দুশ্চিন্তায় ছিলাম কারণ বাবার গ্রেপ্তার হওয়ার খবর কোন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি। এদিকে আমি ছিলাম একা। মা- ভাই- বোন কারোরই খবর জানা ছিল না। আমার বাবার পরিচিত একজন (এখন নামটা খেয়াল নেই) অন্য পার্টি করতেন তিনি বলেছিলেন,“তুমি ভাসানীর সঙ্গে দেখা করো, তাকে বুঝিয়ে বল তোমার বাবার কথা। কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে ভাসানীর কোন লেনা-দেনা না থাকলেও তিনি তোমার বাবাকে পছন্দ করেন, স্নেহ করেন। শেখ মুজিবকেও তিনি স্নেহ করেন”। আমি জানতাম পার্টিগত কোন সম্পর্ক মুজিবের সঙ্গে তার না থাকলেও তিনি শেখ মুজিবকেও পছন্দ করতেন। ঐ ভদ্রলোকের কথার দিন দুই পরেই ভাসানী এসেছিলেন পাবনায়। পাবনা তার মেয়ের বাড়ি। মেয়ের স্বামী, সবুর ভাই (সম্পর্কে আত্নীয়) উকিল ছিলেন। ওনাদের বাড়ি গেলাম। মওলানা ভাসানী শুয়ে ছিলেন। আমাকে দেখে খাটে হেলান দিয়ে বসলেন। কুশল জিজ্ঞাসা করার পরে তাকে বাবার কথা বললাম। উনি বললেন, “তুমি চিন্তা করো না মুজিবকে আলাউদ্দিনের কথা বলব। অমন একজন নিষ্ঠাবান ত্যাগী রাজনীতিকের কিছুতেই অপঘাতে মৃত্যু হতে পারে না। আমি দেখব।”

তিনি কথা রেখেছিলেন। তার সঙ্গে দেখা হওয়ার সপ্তাহ খানেক পরেই দৈনিক ইত্তেফাকে গ্রেপ্তারের হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। আমার বাবা ১৯৭৫ সালে গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত সারাজীবন হুলিয়া মাথায় কাটিয়েছেন, কখনও গ্রেপ্তার হননি। সেই প্রথম এবং সেই শেষ তাকে পার্টির ভেতর থেকে ১০০০০/- (দশহাজার) টাকার বিনিময়ে কেউ একজন ধরিয়ে দিয়েছিল। ১৯৭৬ সালে বাবা কারাগার থেকে মুক্তি পান। এই মুক্তি পাওয়াও ছিল মওলানা সাহেবের জন্যই। ১৯৭৬ সালে তিনি যখন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে তখন বাবাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। বাবা তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে বলেছিলেন, দেশের মন্ত্রী হতে। তার কথার জবাবে বাবা বলেছিলেন, “হুজুর, সারাজীবন যাদের মুক্তির জন্য কাজ করলাম তাদের জন্য কিছু করতে পারলাম না। আজ আমার আর আমার পরিবারের সুখের জন্য মন্ত্রী হবো”। মওলানা ভাসানী বলেছিলেন, “তুমি ত্যাগী, নিষ্ঠাবান রাজনীতিবিদ। সারাজীবন দেশের জন্য কাজ করেছ। মন্ত্রীত্ব তো তোমার প্রাপ্য”।
বাবা রাজী হননি। তখন সংসারে অনেক অভাব ছিল। মা তখন এনজিও’তে ছোট একটা চাকরি করতেন। তবুও বাবা রাজী হননি। ভাসানী অশ্রুশিক্ত কন্ঠে বলেছিলেন, “মৃত্যুর আগে তোমার জন্য কিছু করতে চেয়েছিলাম কিন্তু পারলাম না”। ভাসানী সকলকে সন্তান স্নেহে ভালোবাসতেন। সবার জন্য কিছু না কিছু করতেন। করার জন্য চেষ্টা করতেন।    

মওলানা ভাসানীর জন্ম ঊনবিংশ শতাব্দির আশির দশকে। সালটা এভাবে লিখলাম এজন্য যে তার জন্মসালটা  কেউ লিখেন ১৮৮০ কেউ বা লিখেছেন ১৮৮৫। তিনি সিরাজগঞ্জের  ছোট এক মফস্বল শহরে জন্মেছিলেন। তিনি খুব ছোট বেলায় জেদী হওয়ার কারণে বাবা-মা তাকে চ্যাগা বলে ডাকতেন। বড় হলে আবদুল হামিদ খান নামে স্কুলে ভর্তি করেছিলেন তার বাবা। বিংশ শতাব্দির ত্রিশ দশকের দিকে তিনি আসামের ভাসানচরে চলে যান এবং ওখানে কৃষকদের মধ্যে কাজ করার ফলে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। এবং তার নামের শেষে ভাসানী যোগ হয়ে পুরো নাম মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী নামে খ্যাত হন। মওলানা ভাসানীকে জীবনে অনেক কটুক্তি শুনতে হয়েছে। অনেকে তাঁকে প্রয়োজনে ব্যবহার করেছেন আবার প্রয়োজন ফুরালে ত্যাগ করেছেন।

মজলুম জননেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন অবিস্মরণীয় নেতা। আজীবন তিনি নিষ্পেষিত জনগণের পক্ষে লড়াই করেছেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার প্রাক্কালে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে মুক্ত ও স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি শোষিত-নির্যাতিত শ্রেণীর মুক্তি চেয়েছেন। রাজনীতির ক্ষেত্রে তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনিই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল নায়ক, অন্যরা তার সহযোগী। তিনি মহান, ক্ষমাশীল  দরিদ্র জনগণের নেতা।

মওলানা ভাসানী সারাজীবন নিজের জন্য আরম আয়েশ চাননি। অতি সাধারণ জীবন যাপন করেছেন তিনি। কৃষক-জনগণের মুক্তির জন্য সংগ্রাম করেছেন। বিতর্কিত ও অবিসংবাদিত, নন্দিত ও নিন্দিত এই মহান রাজনীতিবিদ ১৯৭৬ সালের নভেম্বরে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যু নাই। তিনি এদেশের জনগণের কাছে প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন চিরদিন। তার প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা।

সূত্র: মওলানা আব্দুল হামি খান ভাসানী পরিষদের ‘মওলানা ভাসানী স্মারক সংকলন’/ ২০০২ এ প্রকাশিত নিবন্ধের পূণর্মুদ্রন।

আফরোজা অদিতি: কবি ও কথাসাহিত্যিক, প্রখ্যাত কমিউনিস্ট নেতা কমরেড আলাউদ্দিন আহমেদের মেয়ে।

পাঠক মন্তব্য () টি

আবেগী গোলামদের টিস্যু দাও প্লিজ

গোলামেরা একটু আদেখলা হয়, ফ্যাঁচফ্যাঁচে হয়, অল্পতেই চোখে পানি চইলা আসে তাদের।

যে ভাবে বিজয় 'আমাদের' হলো

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। বছর ঘুরে ১৬ ডিসেম্বর ফিরে এসেছে। আমাদের দরোজায় কড়া…

মহীপুরের প্রান্তর

মওলানার সঙ্গে কয়েক দিন কাটিয়ে এসে ফজলে লোহানী লিখেছিলেন - ‘মহীপুরের প্রান্তর।’

কপিরাইট ২০১৪ onlineBangla.com.bd
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: গুলবুদ্দিন গালীব ইহসান
অনলাইন বাংলা, ৬৯/জি গ্রিন রোড, পান্থপথ (নীচ তলা), ঢাকা-১২০৫।
ফোন: ৯৬৪১১৯৫, মোবাইল: ০১৯১৩৭৮৯৮৯৯
ইমেইল: contact.onlinebangla@gmail.com
Developed By: Uranus BD