সর্বশেষ আপডেট ১৩ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
আপনি আছেন হোম / ফিচার / জীবন যাপন / কোরবানি সাংস্কৃতিক বিপ্লব: ফেসবুকে প্রচার বাড়ান

কোরবানি সাংস্কৃতিক বিপ্লব: ফেসবুকে প্রচার বাড়ান

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৩:৫৫ টা | আপডেট: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ১৪:০৩ টা

ফেসবুক থেকে নেওয়া ছবি

ফিচার প্রতিবেদক, অনলাইন বাংলাঃ

কোরবানির গরুর ছবি ফেসবুকে পোস্ট করুন। গরুর হাটের এবং গরু জবাইয়ের ছবি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিনে। গরিব ও আত্মীয়দের গোশত বণ্টনের ছবিও পোস্ট করুন। ইচ্ছেমত সেলফিও তুলুন।

মোটেই দ্বিধা করবেন না। সমালোচনাকারীদের কথায় পাত্তা দেবেন না।

কোরবানির গরুর ছবি পোস্ট করে আপনি মোটেই ভুল করছেন না। আপনি শতভাগ ঠিক কাজ করছেন। আপনি একটি সাংস্কৃতিক বিপ্লবে মহান ভূমিকা পালন করছেন।

যদি দ্বিধা থাকে তাহলে জানুন। আপনি যতই কোরবানির কথা, কোরবানির ছবি যতো প্রচার করবেন ততই আপনার বন্ধু ও স্বজনরা কোরবানি দিতে উৎসাহী হবে।

আর কোরবানি দিলে আর কারও না হোক উপকার হবে গরিব মানুষের।  তারা গোশত খেতে পারবে। এতে তাদের আমিষের চাহিদা পূরণ হবে।

আপনি হয়তো জানেন না, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র কয়েক লাখ সামর্থবান ছাড়া সারা বছর সাধারণ মানুষ তেমন একটা গোশত খেতেই পায় না। গত কয়েক বছরে গরু-মহিষ-ছাগল-ভেগা-হাঁস-মুরগিসহ সব ধরণের পশু-পাখির দাম বেড়ে দ্বিগুণ হওয়ার কারণেই এমনটি ঘটেছে।

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা-ফাও এর সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০০২ সালে বাংলাদেশের মানুষ বছরে গড়ে ৩ দশমিক ১ কেজি গোশত খেতে পেতো। ২০০৯ সালে এসে এ পরিমাণটা দাঁড়িয়েছিল ৪ কেজিতে। কিন্তু ২০১৫ সালে মাথা পিছু গোশতের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে সোয়া ৩ কেজিরও কম।

এ অবস্থায় মানুষের মুখে গোশত তুলে দেওয়ার প্রধান উপায় হলো কোরবানি। এর মাধ্যমেই দেশের প্রায় সব মানুষই অন্ততঃ দু-তিনদিনের জন্য হলেও গোশত খেতে পারছে।

কাজেই কোরবানিকে শুধু ধর্মীয় এবাদতের মধ্যে আটকে রাখলে হবে না। কোরবানিকে সাংস্কৃতিক বিপ্লবে রূপ দিতে হবে। মোটামুটি সামর্থ আছে এমন সবাই যেন কোরবানি দেয় তার জন্য উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি করতে হবে।

আপনার যে বন্ধুরা কোরবানির সমালোচনা করে, তাদের দিকে একটু খেয়াল করে তাকান। তারা সারা বছরই গোশত খায়। বার্গার-শরমা, পোলাও-বিরিয়ানী, কাবাব-রেজালা; কত পদের রান্নার মাধ্যমে মাংস খায় তারা। শহরের গোশতের দোকানের সামনে গেলে দেখবেন ধনী ভদ্রলোকেরাই ব্যাগভর্তি গোশত কিনে নিয়ে যাচ্ছে। কাউকে কি দেখেছেন সেই গোশত কাউকে বিতরণ করে তারা?

কিন্তু সেই একই ধনীরা যদি বছরে একবার কোরবানি দেয়, তখন ধর্মীয় কারণেই তাদের কাছ থেকে গোশতের তিনভাগের দুই ভাগ পায় গরিব মানুষ এবং স্বজনেরা।

কাজেই সামর্থ আছে এমন সবার মধ্যে যেন কোরবানি দেওয়ার সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে। পাঁচ ছয়জন তরুণ বা তরুণী মিলে চাঁদা দিয়ে যেন কোরবানি দেয়। মোটামুটি ৩৫/৪০ হাজার টাকা হলে একটা গরু কেনা যায়। সাতজন মিলে কোরবানি দিলে মাথা পিছু পাঁচ হাজার টাকা প্রয়োজন।  এর জন্য পকেট খরচ থেকে সঞ্চয় করাই যথেষ্ট।

আর হ্যা, সোশ্যাল মিডিয়াতে কোরবানির ছবি পোস্ট করুন। কোরবানির ফিলিংস জানান। কোরবানির মাধ্যমে আপনি গরিবের মুখে গোশত তুলে দিচ্ছেন। এটি অত্যন্ত মহৎ কাজ। একে বেশি বেশি প্রচার করুন। এতে অন্যদের মাঝেও কোরবানি দেওয়ার আগ্রহ তৈরি হবে।

প্রচারের সময় দামটাও বলবেন। কত কেজি গোশত হয়েছে তাও জানাবেন। এর ফলে ভালো কাজে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে এবং অন্যরা বেশি খরচ করতে তাগিদ পাবে। যার নগদ উপকার পাবে গরিব মানুষ। গরিবকে উপকারের সমালোচনাকারীদের পাত্তা দেবেন না। ঈদ মোবারক।

পাঠক মন্তব্য () টি

১৩ দিনে উঁচু পাহাড় ও নদী ডিঙিয়ে ১২ বছরের রোহিঙ্গা শিশুর বাংলাদেশে আসার গল্প

বাবা আমাদের নিজের জীবন বাঁচাতে বলেছেন। পরে তিনি আমাদের কাছে চলে আসবেন।

আধুনিক মানুষের সর্বোচ্চ আয়ু ১১৫ বছর

আধুনিক মানুষের গড় সর্বোচ্চ আয়ু ১১৫ বছর বলে জানিয়েছে মার্কিন বিজ্ঞানীদের একটি…

এক গ্রামেই শতবর্ষী ৩০০ জন!

ইতালির আকিয়ারোলি গ্রামে তিনশ' জনেরও বেশি মানুষ শতবর্ষ পার করে ফেলেছেন!

কপিরাইট ২০১৪ onlineBangla.com.bd
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: গুলবুদ্দিন গালীব ইহসান
অনলাইন বাংলা, ৬৯/জি গ্রিন রোড, পান্থপথ (নীচ তলা), ঢাকা-১২০৫।
ফোন: ৯৬৪১১৯৫, মোবাইল: ০১৯১৩৭৮৯৮৯৯
ইমেইল: contact.onlinebangla@gmail.com
Developed By: Uranus BD